সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

😄 চার্জারই আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু

  আমার জীবনে সবচেয়ে বিশ্বস্ত জিনিস হলো— চার্জার। ফোন ছাড়া থাকা যায়, কিন্তু চার্জার ছাড়া থাকা যায় না। বাড়ি থেকে বের হই, প্রথম চিন্তা— “চাবি আছে?” দ্বিতীয় চিন্তা— “চার্জার আছে তো?” ফোনে ৩০% থাকলেও মন শান্ত না। ২০% হলেই বুক ধড়ফড় শুরু। চার্জে লাগালে মনে হয়, জীবনে আবার সব ঠিক হয়ে গেছে। সত্য কথা হলো: মানুষ বদলায়, সময় বদলায়, কিন্তু চার্জার লাগানোর সুখ— কখনো বদলায় না 😄

😄 ঘড়ি আমাকে সময় নয়, চাপ দেয়

 প্রতিদিন ঘড়ি দেখি আর ভয় পাই। সকাল হলেই মনে হয়— “সময় তো দৌড়াচ্ছে, আমি হাঁটছি কেন?” কাজ শুরু করার আগেই ঘড়ি বলে— “দেরি হয়ে যাচ্ছে!” খাবার খেতে বসলে বলে— “তাড়াতাড়ি করো!”  আর রাতে ঘুমাতে গেলে— “আগেই ঘুমাও!” ঘড়ি আসলে সময় দেখায় না, ঘড়ি শুধু মনে করিয়ে দেয়— আমরা সবসময় লেট।

funny

আজকাল মানুষ এতটাই ফাও কথা বলে।  যে,  তাকে তা করতে বললে  তখন , সে তা পারে নাহ। কি এক আজব কাহিনি।

📱 ফোন থাকলে কাজের দরকার নেই

  আগে মানুষ সময় কাটাত গল্প করে। এখন মানুষ সময় কাটায় ফোনে— খাবার সামনে ঠান্ডা হয়ে যায়, কিন্তু রিলস দেখা বন্ধ হয় না 🤭 মজার ব্যাপার হলো— ফোন ছাড়া আমরা এক মিনিট থাকতে পারি না, কিন্তু ফোন চার্জে দিতে আমরা সবাই অলস! 🔋😅

⏰ অ্যালার্ম বনাম মানুষ

সকালে অ্যালার্ম বাজে।আমরা বলি “আর ৫ মিনিট।” , এই “৫ মিনিট”ই পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা সময়— কারণ হঠাৎ করেই সেটা ১ ঘণ্টা হয়ে যায়! ⏳😴 অ্যালার্ম বন্ধ করার সময় আমরা এমন দক্ষ হয়ে যাই, যে পরে মনে থাকে না— 👉 অ্যালার্ম বন্ধ করেছি নাকি জীবনটাই! 😂

স্মার্টফোনের যুগে আমরা কতটা স্মার্ট?

   এক সময় মানুষ সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে প্রথমে মুখ ধুত। আর এখন?  ঘুম থেকে উঠে প্রথমে ফেসবুক, ইউটিউব, নোটিফিকেশন —তারপর মুখ ধোয়া  স্মার্টফোন আমাদের জীবন এতটাই স্মার্ট করে ফেলেছে যে, এখন ফোন ছাড়া মানুষ নিজেকে আধা মানুষ মনে করে।